চিঠি বা ব্যক্তিগত পত্র লেখার নিয়ম | বাংলা ২য় পত্র

চিঠি বা পত্র লেখার সময় সাধারণ কয়েকটি নিয়ম পালন করতে হয়। যেমন- ১. সুন্দর ও স্পষ্ট হস্তাক্ষরে লেখা; ২. সহজ, সরল ভাষায় লেখা; ৩. নির্ভুল বানানে লেখা;

💕 চিঠি বা পত্র:

চিঠির আভিধানিক অর্থ হলো স্মারক বা চি‎‎‎হ্ন। তবে ব্যবহারিক অর্থে চিঠি বা পত্র লিখন বলতে বোঝায়, একের মনের ভাব বা বক্তব্যকে লিখিতভাবে অন্যের কাছে পৌঁছানোর বিশেষ পদ্ধতিকে। আরও সহজ করে বলা যায়, দূরের কিংবা কাছের কোনো আত্মীয়-স্বজন বা বন্ধু-বান্ধবের কাছে নিজের প্রয়োজনীয় কথাগুলো লিখে জানানোর পদ্ধতিকে চিঠি বা পত্র লিখন বলে।

💕 চিঠি বা পত্রের বিভিন্ন অংশ:

একটি চিঠি বা পত্রে সাধারণত ছয়টি অংশ থাকে। এগুলো হলো- 
১. যেখান থেকে চিঠি লেখা হচ্ছে সে জায়গার নাম ও তারিখ;

২. সম্বোধন বা সম্ভাষণ;

৩. মূল বক্তব্য;

৪. বিদায় সম্ভাষণ;

৫. প্রেরকের (যে চিঠি পাঠাচ্ছে তার) স্বাক্ষর ও

৬. প্রাপকের (যে চিঠি পাবে তার) নাম ও ঠিকানা।

💕 চিঠি বা পত্রের প্রকারভেদ:

বিষয়বস্তু বিবেচনায় চিঠিকে তিনটি পর্যায়ে ভাগ করা যায়। যথা-
১. ব্যক্তিগত চিঠি। যেমন- মা-বাবা বা বন্ধু-বান্ধবকে ব্যক্তিগত বিষয় উল্লেখ করে লেখা চিঠি।

২. সামাজিক চিঠি। যেমন- সামাজিক কোনো সমস্যা জানিয়ে সংবাদপত্রে প্রকাশের জন্য কিংবা প্রশাসনকে জানানোর জন্য লেখা চিঠি।

৩. ব্যবহারিক চিঠি। যেমন- ব্যবহারিক প্রয়োজনে লেখা আবেদনপত্র, ব্যবসাপত্র, নিমন্ত্রণপত্র ইত্যাদি।
চিঠি বা ব্যক্তিগত পত্র লেখার নিয়ম | বাংলা ২য় পত্র

💕 চিঠি বা পত্র লেখার নিয়ম:

চিঠি বা পত্র লেখার সময় সাধারণ কয়েকটি নিয়ম পালন করতে হয়। যেমন- 
১. সুন্দর ও স্পষ্ট হস্তাক্ষরে লেখা;

২. সহজ, সরল ভাষায় লেখা;

৩. নির্ভুল বানানে লেখা;

৪. চলিত ভাষায় লেখা;

৫. বিরামচিহ্নের যথাযথ ব্যবহার করা;

৬. একই কথার পুনরাবৃত্তি না করা;

৭. পাত্রভেদে সম্মান ও স্নেহসূচক বাক্য ব্যবহার ইত্যাদি।

আরো পড়ুন-

পরীক্ষায় সর্বাধিক কমন গুরুত্বপূর্ণ চিঠি-পত্রসমূহ নিম্নরুপঃ